বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা ও কিভাবে আবেদন করবেন


বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা ও কিভাবে আবেদন করবেন সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জানাবো আজ। আপনাদের বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়ার স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রূপ দেবেন সে সম্পর্কে জানার জন্য সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।
বিদেশে-স্কলারশিপ-পাওয়ার-যোগ্যতা

অনেকেই আছেন যারা সঠিক দিক নির্দেশনা না পাওয়ার কারণে বিদেশে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন আর পূরণ করতে পারেন না। বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা এবং আবেদনের সঠিক প্রক্রিয়া জানা থাকলে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়া অনেক সহজ একটি বিষয়।

পেজ সূচিপত্রঃ বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা ও কিভাবে আবেদন করবেন নিম্নরূপ

বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা

বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা গুলোর মধ্যে ৩টি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও কিছু গোপন বিষয় রয়েছে যেগুলো থাকলে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা বা একাডেমিক রেজাল্ট
  • ইংরেজি ভাষার উপরে দক্ষতা
  • একটি চমৎকার আবেদন পত্র
শিক্ষাগত যোগ্যতা বা একাডেমিক রেজাল্টঃ বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে একাডেমিক রেজাল্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো একাডেমিক রেজাল্ট বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়টিকে অনেক সহজ করে দেয়। স্কলারশিপের বিভিন্ন প্রোগ্রামে জিপিএ/GPA 3.5 বা তার বেশি হলে ভালো হয়, অথবা সিজিপিএ/CGPA 3.0 প্রয়োজন হয়।
তবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে CGPA(4.00) এরমধ্যে CGPA 3.5 বা তার বেশি হলে ভালো হয়।
বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার এর ক্ষেত্রে একাডেমিক রেজাল্টই সব কিছু নয়। স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা আরো কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
ইংরেজি ভাষার উপরে দক্ষতাঃ বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতার মধ্যে ইংরেজি বা বিকল্প কোন ভাষার উপরে ভালো দক্ষতা থাকা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। যেমন ( IELTS বা TOEFL) এ ভালো স্কোর থাকতে হবে।
IELTS- 5.5 থেকে 6.5 এর মধ্যে হলে ভালো হয়। এর বেশি থাকলে আরো ভালো।
TOEFL এ ৯০ পয়েন্ট থাকলে ভালো হয়। এর বেশি হলে আরো ভালো।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইংরেজির পাশাপাশি সে দেশের ভাষার উপরে দক্ষতা থাকলে এটি স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা এর ক্ষেত্রে একটি বাড়তি যোগ্যতা মনে করা হয়। যেমন জার্মান বা ফ্রান্স এর জন্য জার্মান ভাষা বা ভাষা প্রয়োজন হতে পারে।
একটি চমৎকার আবেদন পত্রঃ একটি চমৎকার আবেদন পত্র বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চমৎকার আবেদনপত্রের সঙ্গে তিনটি জিনিস থাকা জরুরী
  • এসওপি SOP ( statement of purpose)
  • সুপারিশপত্র LOR ( letter of recommendation)
  • একটি সুন্দর CV (resume)
এসওপি SOP : বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া অনেক সময় ভালো একটি, SOP এর উপরে নির্ভর করে থাকে। SOP হল আপনার সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ যেখানে আপনার জীবনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সুন্দরভাবে গুছিয়ে লেখা থাকবে।
সুপারিশ পত্র/ LOR : আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের কাছ থেকে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার কয়েকটি সুপারিশ পত্র থাকা জরুরি।
একটি সুন্দর CVঃ একটি সুন্দর CV যেখানে আপনার একাডেমিক রেজাল্ট সহ আপনার অর্জন, দক্ষতা এবং যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা থাকবে।
কিছু এক্সট্রা বিষয়ঃ কিছু একটা বিষয় রয়েছে যেগুলো একজন ছাত্রের ডকুমেন্ট গুলোকে আরো মজবুত করে। স্কলারশিপ কমিটি সব সময় শুধু ভালো একাডেমীর রেজাল্ট দেখেনা সাথে তার এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস গুলো কেমন সেগুলো যাচাই করে।
কোন সাংগঠনিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত কিনা
কোন স্বেচ্ছাসেবী কাজের সঙ্গে জড়িত কিনা
রিসার্চ ইনভলভমেন্ট কেমন
সঠিকভাবে সময় মত আবেদনঃ সময় মতো আবেদন বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি এমন অনেক জনকে দেখেছি যারা শুধুমাত্র সময় মত আবেদন করতে না পারার কারণে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে।

ফুল ফ্রি স্কলারশিপ কিভাবে পাওয়া যায়

ফুল ফ্রী স্কলারশিপ বলতে বোঝায় আপনার টিউশন ফি, থাকা খাওয়া ও অন্যান্য খরচ প্রতিষ্ঠান বহন করবেন। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ফুল ফ্রী স্কলারশিপ প্রোগ্রাম রয়েছে। এ সকল প্রোগ্রামগুলোতে অনেক বেশি প্রতিযোগিতা থাকার কারণে আপনাকে অনেক আগে থেকে সঠিক প্রস্তুতি নিতে হবে।
বিদেশে-স্কলারশিপ-পাওয়ার-যোগ্যতা

অনেকের প্রশ্ন থাকে ফুল ফ্রী স্কলারশিপের জন্য জিপিএ কত পয়েন্ট থাকতে হবে, সাধারণত বিদেশে স্কলারশিপের জন্য জিপিএ ৩.০ থাকলেই হয়।তবে ফুল ফ্রী স্কলারশিপে যেহেতু অনেক বেশি প্রতিযোগিতা থাকে এক্ষেত্রে জিপিএ যদি ৩.৫ বা তার বেশি হয় তাহলে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
কিছু জনপ্রিয় স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ও দেশঃ
fulbright scholarship (যুক্তরাষ্ট্র)
DAAD scholarship (জার্মানি)
Erasmus mundus (ইউরোপ ইউনিয়ন)
chevening scholarship (যুক্তরাজ্য)
MEXT scholarship (জাপান)
ফুল ফ্রী স্কলারশিপ এর জন্য প্রস্তুতিঃফুল ফ্রী স্কলারশিপের জন্য কিছু প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। ভালো প্রস্তুতি থাকলে ফুল ফ্রী স্কলারশিপ পাওয়া সহজ হয়, স্কলারশিপ পাওয়ার প্রস্তুতি যেমন,
ভালো একাডেমিক রেজাল্ট ( ৩.০+ - ৩.৫+)
ভাষাগত দক্ষতা অর্জন (IELTS,TOEFL)
সঠিক দেশ ও প্রোগ্রাম নির্বাচন
সকল ডকুমেন্ট যেমন (SOP, LOR, CV) প্রস্তুত করা
সঠিক ও সময় মত অ্যাপ্লিকেশন জমাদান
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বা ইন্টারভিউ এ অংশগ্রহণ
উপরের সব প্রস্তুতি এবং ডকুমেন্টগুলো ঠিক থাকলে ফুল ফ্রী স্কলারশিপ পাওয়া খুব বেশি কঠিন কিছু নয়।

স্কলারশিপ পেতে কত পয়েন্ট লাগে

সবার মনেই একটা প্রশ্ন থাকে যে বিদেশে স্কলারশিপ পেতে কত পয়েন্ট লাগে। বিদেশে স্কলারশিপ পেতে সাধারণত GPA ৩.০ হলেই হয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে GPA ৩.০+ বা ৩.৫+ হলে ভালো হয়। স্কলার্শিপ পাওয়ার বিষয়টা শুধুমাত্র একাডেমিক রেজাল্ট এর উপরে নির্ভর করে না। আরো কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় রয়েছে যেমন ভাষাগত দক্ষতা ও এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস। স্কলারশিপ কমিটি এই বিষয়গুলোকে অনেক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে থাকেন।

বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায়

বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য অনেক আগে থেকে প্রস্তুতি নেয়া জরুরি। ভালো প্রস্তুতি না থাকলে বিদেশে স্কলার্শিপ পাওয়া সম্ভব নয়। বিদেশে স্কলারশিপ পেতে হলে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা ও স্কলারশিপ পাওয়ার প্রস্তুতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরী। সঠিক ধারণা না থাকলে সঠিক প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব নয়। আপনি যদি বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এখানে আমরা বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা, কি ধরনের প্রস্তুতি নেয়া জরুরী এবং কিভাবে আবেদন করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

কোন ক্লাস থেকে স্কলারশিপ পাওয়া যায়

এইচএসসি পাশ করেই বিদেশে স্কলারশিপঃ এইচএসসি পাশ করেই বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব তবে এখানে বেশি প্রত্যাশা রাখা উচিত নয়। কারণ এই লেবেলে ফুল ফ্রি স্কলারশিপ পাওয়া অনেক কঠিন।
ফাউন্ডেশন প্রোগ্রামের স্কলারশিপের জন্য এইচএসসি পাশ করে আবেদন করা যায়। যোগ্যতা নিম্নরুপ
GPA - 3.5+
IELTS বা TOEFL 5.5 - 6.5
এছাড়া একাডেমিক ধারাবাহিকতা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
আন্ডারগ্রাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রামঃ আন্ডারগ্রাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রামে ফুল ফ্রী স্কলার্শিপ কম হলেও ভালো মানের প্রোফাইল থাকলে স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব। আর তা না হলে ভালো ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।
মাস্টার্স লেভেলে স্কলারশিপঃ স্নাতক শেষে মাস্টার্স করতে চাইলে স্কলারশীপের জন্য আবেদন করতে পারেন। কেননা এই লেভেলে সবচেয়ে বেশি ফুল ফ্রি স্কলারশিপ পাওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে আপনার ভালো SOP খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যোগ্যতা নিম্নরূপ,
CGPA 3.0+
IELTS বা TOEFL 6.5 - 7

বিদেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদন

বিদেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদনের পূর্বে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা এবং একটি ভালো প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। কেননা একটি ভালো প্রোফাইল আপনার বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়াকে অনেক বেশি সহজ করে দেয়।
বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতার মধ্যে সঠিক ও সময় মত আবেদন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সঠিকভাবে সময় মত আবেদন করতে না পারলে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব নয়। আমি এমন অনেক জনকে দেখেছি শুধুমাত্র সময় মত আবেদন করতে না পারার কারণে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে তাদের। এজন্য সময় মত সঠিক ভাবে আবেদন করা বিদেশে স্কলারশিপ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
স্কলারশিপের জন্য আবেদন দুই ভাবে করা যায়। আপনি চাইলে আবেদন নিজে নিজে করতে পারেন। প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার পর তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি চাইলে নিজে নিজে আবেদন করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনার আর্থিক খরচ কিছুটা কম হবে
আপনি চাইলে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমেও আবেদন করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন এজেন্সি রয়েছে যারা স্টুডেন্ট ভিসা বা স্কলারশিপ নিয়ে কাজ করে থাকে। যেহেতু তারা প্রতিনিয়ত এই কাজগুলো করে থাকে তাই তারা অনেক বেশি অভিজ্ঞ এবং দক্ষ হয়ে থাকে। আপনি চাইলে এসব এসএমএস এর মাধ্যমেও আবেদন করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে সঠিক এজেন্সি নির্বাচন করাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ বর্তমানে অনেক ধোকাবাজ এজেন্সিও রয়েছে।

বিদেশে স্কলারশিপ কখন পাওয়া যায়

উন্নত বিশ্বের প্রায় সকল দেশগুলোতেই প্রধানত তিনটি সেশনে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ফল সেমিস্টার (Fall intake)
স্প্রিং সেমিস্টার (spring Intake)
সামার সেমিস্টার (summer intake)
ফল সেমিস্টার (Fall intake): September/October সেশন হচ্ছে সবচেয়ে বড় সেশন। এসময় স্কলারশিপ ও ফান্ডিং সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সেশনের জন্য আগের বছরের আগস্ট থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে আবেদন করতে হয়।
স্প্রিং সেমিস্টার (spring Intake): January/February এই সেশনে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকলেও অল সেমিস্টারের মত এত বেশি স্কলারশিপ এর সুযোগ থাকে না। ফল সেমিস্টারের থেকে তুলনামূলকভাবে এই সময় স্কলারশিপ এর সুযোগ কম থাকে। এই সেশনের জন্য আগের বছরের জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে আবেদন করতে হয়।
সামার সেমিস্টার (summer intake) May/June এই সেশনটা খুব অল্প কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকে। তাই এই সেশনে স্কলারশিপ এর সুযোগ্য অনেক কম থাকে।যেকোনো সেশনে ভর্তি হওয়ার পূর্বে অন্তত এক বছর আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

কোন দেশে সহজে স্কলারশিপ পাওয়া যায়

বিশ্বের অনেক ভালো ভালো দেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে যে সকল দেশে স্কলারশিপ পাওয়া কিছুটা সহজ তার মধ্যে রয়েছে কানাডা, চিন, হাঙ্গেরি, জার্মানি ও ইতালি। সহজে স্কলার্শিপ পাওয়ার দিক থেকে এই দেশগুলো বেশ জনপ্রিয়। এসব দেশে বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রাম রয়েছে। যেগুলোতে আবেদনের মাধ্যমে আপনি খুব সহজে স্কলারশিপ পেতে পারেন। সঠিক প্রোগ্রাম নির্বাচন এবং সময় মত নির্ভুল আবেদনের মাধ্যমে খুব সহজে এসব দেশে স্কলারশিপ পাওয়া যায়।
বিদেশে-স্কলারশিপ-পাওয়ার-যোগ্যতা

সতর্কতা

কিছু সাধারন অথচ গুরুত্বপূর্ণ ভুলের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কলারশিপ পায়না। এই সাধারণ ভুলগুলো স্কলারশিপ সংস্থা অনেক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে থাকে।
অন্যের SOP কপি করা
সময় মতো আবেদন না করা
সঠিক স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন না করা
উপরের বিষয়গুলো ঠিক রেখে সঠিকভাবে আবেদন করতে পারলে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া কোন কঠিন কিছু নয়। তাই আবেদন ফরম জমা দেওয়ার পূর্বে সকল ডকুমেন্ট খুব সতর্কতার সাথে চেক করে নেয়া জরুরী।

শেষ কথা

উপরের আলোচনার মাধ্যমে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতার বিষয়টি আপনাদের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। অনেকেই বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়টিকে অনেক কঠিন মনে করেন। তাই আমরা খুব সহজভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি কি কি যোগ্যতা থাকলে একজন শিক্ষার্থী বিদেশে স্কলারশিপ খুব সহজেই পেতে পারে। পরিশেষে একটা কথাই বলবো আপনার যদি স্বপ্ন থাকে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়ার তাহলে এখনই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে দিন।

আজকের আর্টিকেলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুব সহজভাবে উপস্থাপন করা। তাই আমাদের এই লেখাটি তখনই সার্থক হবে যখন এই আর্টিকেল থেকে আপনি একটু হলেও উপকৃত হবেন। এরকম আরো প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে জানতে নতুন ভবন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে থাকুন। এতক্ষণ সময় নিয়ে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। আপনার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের আর্টিকেল এখানেই শেষ করছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url